Hi Court+CityCell

হাইকোর্ট আরও ১ মাসের সময় দিলো সিটিসেলকে

কার্যক্রম বন্ধে বাংলাদেশের প্রথম মুঠোফোন অপারেটর প্যাসিফিক টেলিকম- সিটিসেল আরও ১ মাসের সময় দিয়েছে হাইকোর্ট। আগামী ১৬ সেপ্টেম্বরের আগে বন্ধ না করতে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে (বিটিআরসি) নির্দেশ দেয়া হয়েছে। বন্ধের বিরুদ্ধে সিটিসেলের করা আবেদনের শুনানি করে আজ সোমবার বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের একক হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দিয়েছেন। এর আগে ২৩ আগস্ট অর্থাৎ আগামীকাল মঙ্গলবার সিটিসেলের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাবে বলে ঘোষণা দেয়া হয়েছিল। সিটিসেলের পক্ষে আবেদনের শুনানি করেন সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী রোকনউদ্দিন মাহমুদ। আর বিটিআরসির পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খন্দকার রেজা-ই রাকিব ও সৈয়দ মাহছিব হোসেইন। আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়, যেহেতু আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সিটিসেলকে কারণ দর্শানোর জবাব দেয়ার সময় বেঁধে দেয়া হয়েছে, সেহেতু এ সময়ের আগে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটানো যাবে না। প্রসঙ্গত ১৯৮৯ সালে বাংলাদেশের প্রথম মুঠোফোন অপারেটর হিসেবে টেলিযোগাযোগ সেবা দেয়ার লাইসেন্স পায় সিটিসেল। ১৯৯৩ সালে যাত্রা শুরু করা সিটিসেলে বর্তমানে ৫৫ ভাগ শেয়ারের মালিক দেশীয় শিল্পগোষ্ঠী প্যাসিফিক মোটরস ও ফার ইস্ট টেলিকম। এর মধ্যে প্যাসিফিক মোটরসের শেয়ারের পরিমাণ ৩৭ দশমিক ৯৫ শতাংশ আর ফার ইস্ট টেলিকমের ১৭ দশমিক ৫১ শতাংশ। বাকি ৪৪ দশমিক ৫৪ শতাংশ শেয়ারের মালিকানা রয়েছে সিঙ্গাপুরভিত্তিক টেলিযোগাযোগ সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান সিংটেল’র দখলে। এর আগে ৪৭৭ কোটি টাকার বকেয়া পরিশোধ করতে না পারায় সিটিসেলের লাইসেন্স কেন বাতিল করা হবে না- সে বিষয়ে গত ১৭ আগস্ট প্রতিষ্ঠানটিকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠায় বিটিআরসি। এ বিষয়ে জবাব দিতে সিটিসেলকে ৩০ দিনের সময়সীমাও বেঁধে দেওয়া হয়েছে। তবে সিটিসেলের গ্রাহকদের বিকল্প সেবা নেয়ার জন্য গত ৩১ জুলাই একটি গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বিটিআরসি। সে বিজ্ঞপ্তিতে ১৬ আগস্টের মধ্যে গ্রাহকদের বিকল্প সেবা নিতে সময় বেঁধে দেওয়া হয়। ওই সময়সীমা পরে ২৩ আগস্ট অর্থাৎ আগামীকাল মঙ্গলবার পর্যন্ত বাড়ানো হয়। এদিকে লাইসেন্স বাতিলের নোটিশের জবাব দেয়ার জন্য এক মাসের সময় দেয়া হলেও আগামীকাল থেকে সিটিসেলের কার্যক্রম বন্ধের সব প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছিল বিটিআরসি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *